রাস্তার
এপাশে একটা ওষুধের দোকান আর তার সামনের শেডটার তলায় সবাই বাসের জন্য দাড়ায়, অনির্বাণ
সেখানেই দাড়িয়ে ভাবছে এখানে না দাড়িয়ে
থেকে বরং নিজের গন্তব্যের দিকে রওনা দেয়া
উচিৎ, ভুলবশত চলে এসেছে অথবা কোন এক ঘোরের
মধ্যে হয়তো সে ছিল এই বলে মনকে সান্ত্বনা দেয়া যেতেই পারে... নিজের মনকে সান্ত্বনা
দেয়া তো সে বেশ ভালোভাবেই রপ্তও করে ফেলেছে এই ক বছরে, আর এদিকে বেলাও তো গড়াচ্ছে এরপর আবার ট্রেন এ যা ভিড় ঠাসাঠাসি, স্টেশন এও লোকজনের ঠেলা ঠেলি,
দৌড়াদৌড়ি... সবাই আগে যেতে চায়, গন্তব্যে পৌঁছোবার তাড়া সকলেরই, ঠিক এইসব কারনেই তো খুব বেশী দরকার না পরলে শহরে
আসতে চায় না অনির্বাণ। সবসময় ও খুব নিজের মত থাকতেই পছন্দ করে, গ্রামের সাহিত্য সম্বন্ধীয়
আড্ডা বা পাঠে নিয়মিত যাতায়াত, তেমন কোন ঝুট ঝামেলায় যায় না, যেমনটি ছিলেন ওর বাবা
অজিতেশ রায় ও, একেবারে নির্ঝঞ্ঝাট এবং
শান্ত মানুষ।এবং সেই সাথে জ্ঞানী ও সম্মানীয়। সারাক্ষণ নিজের স্কুলের
কাজকর্ম আর বই পত্র নিয়ে থাকতেন, আজও
গ্রামে কোন বিশিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে তার নাম করা হয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন